Mostafizur Rahman is a Bangladesh-based content writer and founder of Porikrama. He writes practical, reader-focused content on education, jobs, citizen services, travel, agriculture, technology and general lifestyle information. He focuses on accuracy, clarity, and creating useful content for Bangladeshi readers.
উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটর – সম্পত্তির ধরন অনুযায়ী বণ্টন
এই টুলটি সাধারণ প্রশস্তিকরণ ও সহায়ক হিসাব দেয় — মুসলিম উত্তরাধিকার অনুযায়ী। আইনি সিদ্ধান্তের বিকল্প নয়।
- টুলটি সাধারণ কেস কভার করে। জটিল বা বিরল পরিস্থিতিতে আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
- পুরুষের অংশ মেয়ের দ্বিগুণ — এবং কিছু ওয়ারিশকে নির্দিষ্ট ভগ্নাংশ দেওয়া হয়।
ফলাফল এখানে দেখুন — প্রথমে ওয়ারিশ নির্বাচন করুন, তারপর সম্পত্তির ধরন ও পরিমাণ দিয়ে “হিসাব করুন” চাপুন।
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন ক্যালকুলেটর কি?
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন ক্যালকুলেটর (uttaradhikar calculator or warish calculator) হলো এমন একটি ডিজিটাল টুল, যা ইসলামিক শরিয়াহ অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সঠিকভাবে ভাগ হিসাব করে দেয়।
উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটর কীভাবে ব্যবহার করবেন?
উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টন ক্যালকুলেটর ব্যবহার করে মুসলিম ফারায়েজ অনুযায়ী সম্পত্তির সম্ভাব্য অংশ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়।
এই ক্যালকুলেটরে জমি, স্বর্ণ, রৌপ্য ও নগদ অর্থের পরিমাণ এবং জীবিত উত্তরাধিকারীদের তথ্য নির্বাচন করে হিসাব করা যায়। সঠিক ফলাফল পেতে সম্পত্তির পরিমাণ এবং ওয়ারিশদের তথ্য নির্ভুলভাবে দিতে হবে।
১. সম্পত্তির ধরন নির্বাচন করুন
প্রথমে মৃত ব্যক্তির যে সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টন করতে চান, সেটির ধরন নির্বাচন করুন। ক্যালকুলেটরে নিম্নলিখিত সম্পত্তির অপশন রয়েছে:
জমি (শতাংশ): জমির পরিমাণ শতক বা শতাংশ হিসেবে লিখুন।
স্বর্ণ (ভরি): বণ্টনযোগ্য স্বর্ণের মোট পরিমাণ ভরিতে লিখুন।
রৌপ্য (ভরি): বণ্টনযোগ্য রৌপ্যের পরিমাণ ভরিতে লিখুন।
মুদ্রা (টাকা): বণ্টনযোগ্য নগদ অর্থের পরিমাণ টাকায় লিখুন।
সম্পত্তির পরিমাণ দেওয়ার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকার হিসেবে বণ্টনযোগ্য সম্পত্তির পরিমাণ লিখছেন। যৌথ মালিকানাধীন সম্পত্তির ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির নিজস্ব মালিকানার অংশ বিবেচনা করা জরুরি।
২. জীবিত ওয়ারিশদের নির্বাচন করুন
এরপর মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর সময় জীবিত থাকা প্রযোজ্য উত্তরাধিকারীদের নির্বাচন করুন। ক্যালকুলেটরে স্বামী, স্ত্রী, পুত্র, কন্যা, পিতা, মাতা, পিতামহ, দাদি এবং সহোদর ভাই-বোনের মতো সম্পর্কের অপশন রয়েছে।
ওয়ারিশ নির্বাচনের সময় কয়েকটি বিষয় মনে রাখুন:
মৃত ব্যক্তির সঙ্গে প্রত্যেক উত্তরাধিকারীর সম্পর্ক সঠিকভাবে নির্ধারণ করুন।
মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর সময় কারা জীবিত ছিলেন, তা বিবেচনা করুন।
কোনো উত্তরাধিকারী জীবিত থাকলে অন্য কোনো উত্তরাধিকারীর অংশ প্রভাবিত হতে পারে।
একই শ্রেণিতে একাধিক উত্তরাধিকারী থাকলে তাঁদের সংখ্যা ও সম্পর্কের তথ্যও সঠিকভাবে বিবেচনা করতে হবে।
মনে রাখবেন, সব ধরনের আত্মীয় বা জটিল পারিবারিক পরিস্থিতি এই ক্যালকুলেটরে অন্তর্ভুক্ত নাও থাকতে পারে। কোনো প্রাসঙ্গিক উত্তরাধিকারীর অপশন না থাকলে ফলাফলকে চূড়ান্ত হিসেবে গ্রহণ করবেন না।
৩. ‘হিসাব করুন’ বাটনে ক্লিক করুন
সম্পত্তির ধরন, পরিমাণ এবং প্রযোজ্য ওয়ারিশ নির্বাচন করার পর ‘হিসাব করুন’ বাটনে ক্লিক করুন। ক্যালকুলেটর আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সম্ভাব্য সম্পত্তির অংশ হিসাব করে ফলাফল দেখাবে।
হিসাবের আগে তথ্যগুলো আরেকবার পরীক্ষা করুন। সম্পত্তির পরিমাণ বা ওয়ারিশ নির্বাচনে ভুল থাকলে ফলাফলও ভুল হতে পারে।
নতুন করে হিসাব করার প্রয়োজন হলে ‘রিসেট’ বাটন ব্যবহার করে আগের নির্বাচন মুছে আবার তথ্য দিতে পারবেন।
উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটরের ফলাফল কীভাবে বুঝবেন?
ক্যালকুলেটরের ফলাফল বুঝতে হলে প্রত্যেক উত্তরাধিকারীর সম্ভাব্য প্রাপ্য অংশ এবং সম্পত্তির মোট পরিমাণ বিবেচনা করতে হবে। জমি, স্বর্ণ, রৌপ্য ও নগদ অর্থের হিসাবের একক আলাদা হওয়ায় প্রতিটি ফলাফল সংশ্লিষ্ট একক অনুযায়ী বুঝতে হবে।
উদাহরণস্বরূপ, ক্যালকুলেটরে জমির পরিমাণ শতকে দেওয়া হলে ফলাফলও জমির পরিমাণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যাখ্যা করতে হবে। একইভাবে, নগদ অর্থের ক্ষেত্রে প্রাপ্য অংশ টাকায় হিসাব করা যেতে পারে।
ফলাফল পর্যালোচনা করার সময় নিশ্চিত করুন:
নির্বাচিত সব প্রাসঙ্গিক উত্তরাধিকারী হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন কি না।
প্রত্যেকের সম্ভাব্য অংশ সঠিকভাবে প্রদর্শিত হয়েছে কি না।
মোট সম্পত্তি ও বণ্টিত অংশের মধ্যে সামঞ্জস্য রয়েছে কি না।
কোনো বিশেষ উত্তরাধিকার আইন বা ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি হিসাবকে প্রভাবিত করছে কি না।
গুরুত্বপূর্ণ: ফারায়েজ অনুযায়ী সম্পত্তি বণ্টন সব ক্ষেত্রে একই রকম হয় না। মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া আত্মীয়স্বজন, তাঁদের সম্পর্ক এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিস্থিতি অনুযায়ী অংশের হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।
মুসলিম উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টনের আগে যা জানা জরুরি
মুসলিম উত্তরাধিকার বিধান অনুযায়ী সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে শুধু সম্পত্তির পরিমাণ জানাই যথেষ্ট নয়। মৃত ব্যক্তির জীবিত উত্তরাধিকারীদের পরিচয়, তাঁদের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং প্রযোজ্য উত্তরাধিকার বিধানও বিবেচনা করতে হয়।
সম্পত্তি বণ্টনের আগে মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফনের যুক্তিসংগত ব্যয়, ঋণ এবং প্রযোজ্য বৈধ ওসিয়তের মতো বিষয়গুলোও সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী নিষ্পত্তি বা বিবেচনা করা প্রয়োজন। এসব বিষয় উপেক্ষা করে মোট সম্পত্তির ওপর সরাসরি হিসাব করলে প্রকৃত বণ্টনযোগ্য সম্পত্তির পরিমাণ ভুল হতে পারে।
এ ছাড়া, পিতা-মাতা, স্বামী-স্ত্রী, সন্তান এবং অন্য আত্মীয়দের উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে উত্তরাধিকারীদের অংশ পরিবর্তিত হতে পারে। কোনো জটিল পারিবারিক পরিস্থিতিতে সাধারণ ক্যালকুলেটরের হিসাবের ওপর নির্ভর না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
উত্তরাধিকার সম্পত্তি বন্টন ক্যালকুলেটর মুসলিম ফারায়েজ সম্পর্কে

মুসলিম উত্তরাধিকার আইন(Muslim inheritance calculator Bangladesh) বা ‘ইলমুল ফারায়েজ’ অনুযায়ী, একজনের মৃতু্যুর পর তার সম্পত্তি কীভাবে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টন হবে তা নির্ধারণ করা হয়।
কুরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াসের ভিত্তিতে তৈরি এই এই ক্যালকুলেটরটি সেই নীতির ওপর নির্ভর করেই তৈরি করা হয়েছে, যা মুসলিম ফারাইদ আইন অনুযায়ী সম্পত্তির একটি প্রাথমিক ও সাধারণ হিসাব প্রদানে সহায়তা করে।
তবে, উত্তরাধিকার আইন জটিল হওয়ায়, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য একজন আইন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
মুসলিম উত্তরাধিকারীর শ্রেণীবিভাগ (Classification of Muslim Heirs)

মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তির আত্মীয়দের প্রধানত তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়:
নির্দিষ্ট অংশীদার (যাবিল ফুরুজ বা Qur’anic Heirs):
এঁরা হলেন সেইসব উত্তরাধিকারী যাদের অংশ পবিত্র কুরআনে নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে। মোট ১২ জন নির্দিষ্ট অংশীদার রয়েছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন পিতা, মাতা, স্বামী, স্ত্রী, কন্যা, পুত্রের কন্যা, আপন বোন, বৈমাত্রেয় বোন, বৈপিত্রেয় ভাই এবং বৈপিত্রেয় বোন।
অবশিষ্টভোগী (আসাবা বা Residuaries):
নির্দিষ্ট অংশীদারদের অংশ দেওয়ার পর সম্পত্তির যে অংশ অবশিষ্ট থাকে, তার মালিক হন আসাবারা। পুত্র, পিতা, ভাই, এবং চাচা অবশিষ্টভোগীদের অন্তর্ভুক্ত।
দূরবর্তী আত্মীয় (যাবিল আরহাম বা Distant Kindred):
উপরে উল্লিখিত যাবিল ফুরুজ ও আসাবা শ্রেণীর কেউ জীবিত না থাকলে দূরবর্তী আত্মীয়রা সম্পত্তি পেয়ে থাকেন। যেমন – কন্যার সন্তান বা বোনের সন্তানরা এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।
প্রধান উত্তরাধিকারীদের অংশ (Shares of Principal Heirs)
ফারায়েজ আইনে প্রধান উত্তরাধিকারীদের জন্য সুনির্দিষ্ট অংশ নির্ধারিত রয়েছে:
স্বামী:
মৃত স্ত্রীর সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকলে স্বামী ১/৪ অংশ পাবেন; আর না থাকলে স্বামী পাবেন ১/২ অংশ।
স্ত্রী:
মৃত স্বামীর সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকলে স্ত্রী ১/৮ অংশ পাবেন; আর না থাকলে স্ত্রী ১/৪ অংশ পাবেন।
পুত্র ও কন্যা:
পুত্ররা সাধারণত অবশিষ্টভোগী (আসাবা) হয়। যদি মৃত ব্যক্তির পুত্র ও কন্যা উভয়েই জীবিত থাকেন, তবে তাঁরা ২:১ অনুপাতে সম্পত্তি ভাগ করে নেবেন (পুত্রের দ্বিগুণ অংশ)। যদি পুত্র না থাকে, তবে একজন কন্যা সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবেন এবং একাধিক কন্যা মোট ২/৩ অংশ পাবেন।
পিতা:
মৃত ব্যক্তির পুত্র বা পুত্রের পুত্র থাকলে পিতা ১/৬ অংশ পাবেন। যদি শুধু কন্যা থাকে, তবে পিতা প্রথমে ১/৬ অংশ পাওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তির অংশীদারও হবেন। আর কোনো সন্তান না থাকলে পিতা অবশিষ্টভোগী হিসেবে সব সম্পত্তি পেতে পারেন।
মাতা:
মৃত ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাই-বোন থাকলে মাতা ১/৬ অংশ পাবেন; অন্যথায় মাতা ১/৩ অংশ পাবেন।
সম্পত্তি বণ্টনে জটিল নিয়মকানুন
উত্তরাধিকার আইন একটি জটিল বিষয়, যেখানে কিছু সূক্ষ্ম নিয়ম প্রয়োগ হয়:
বঞ্চনার নীতি (হাজব – Exclusion):
এই নীতি অনুযায়ী, নিকটবর্তী সম্পর্কের উত্তরাধিকারী জীবিত থাকলে দূরবর্তী সম্পর্কের উত্তরাধিকারী সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হন। উদাহরণস্বরূপ, যদি পুত্র জীবিত থাকে, তবে ভাইয়েরা সম্পত্তি পাবেন না।
আউল নীতি (Aul):
যদি সকল নির্দিষ্ট অংশীদারের (যাবিল ফুরুজ) মোট প্রাপ্য অংশ যোগ করলে তা সম্পূর্ণ সম্পত্তির পরিমাণ (১)-এর বেশি হয়ে যায়, তবে আনুপাতিক হারে সবার অংশ কমিয়ে আনা হয়।
রাদ নীতি (Rad):
নির্দিষ্ট অংশীদারদের অংশ দেওয়ার পর যদি কোনো অবশিষ্টভোগী (আসাবা) জীবিত না থাকে এবং কিছু সম্পত্তি বাকি থাকে, তবে সেই অবশিষ্ট সম্পত্তি বন্টন করার জন্য রাদ নীতি প্রয়োগ করা হয়।
এই ক্ষেত্রে, স্বামী বা স্ত্রী ব্যতীত অন্যান্য নির্দিষ্ট অংশীদারদের মধ্যে তাদের প্রাপ্য অংশের অনুপাতে সেই বাকি সম্পত্তি বণ্টন করা হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাস্য (FAQs)
ফারায়েজ কি?
ফারায়েজ হলো ইসলামিক উত্তরাধিকার আইন, যা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে কীভাবে সুনির্দিষ্টভাবে বণ্টন করা হবে সে বিষয়ে নির্দেশনা দেয়। এটি কুরআন, হাদিস এবং ইজমা-কিয়াসের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত।
আমার সম্পত্তি বণ্টনের জন্য এই ক্যালকুলেটর কি যথেষ্ট?
এই ক্যালকুলেটরটি মুসলিম ফারাইদ আইন অনুযায়ী সম্পত্তির একটি প্রাথমিক ও সাধারণ হিসাব প্রদান করে। তবে, উত্তরাধিকার আইন একটি জটিল বিষয় এবং বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। তাই চূড়ান্ত ও নির্ভুল হিসাব এবং আইনি পরামর্শের জন্য একজন অভিজ্ঞ আইন বিশেষজ্ঞ বা আলেমের সাথে পরামর্শ করা অত্যন্ত জরুরি।
যাবিল ফুরুজ, আসাবা এবং যাবিল আরহাম কারা?
যাবিল ফুরুজ (নির্দিষ্ট অংশীদার) হলেন তাঁরা যাদের অংশ কুরআনে নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে (যেমন – পিতা, মাতা, স্বামী, স্ত্রী, কন্যা)।
আসাবা (অবশিষ্টভোগী) হলেন তাঁরা যারা যাবিল ফুরুজদের অংশ দেওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তির মালিক হন (যেমন – পুত্র, ভাই, চাচা)।
যাবিল আরহাম (দূরবর্তী আত্মীয়) হলেন তাঁরা যারা প্রথম দুই শ্রেণীর কেউ জীবিত না থাকলে সম্পত্তি পান (যেমন – কন্যার সন্তান, বোনের সন্তান)।
আউল এবং রাদ নীতি বলতে কী বোঝায়?
আউল নীতি বলতে বোঝায় যখন সকল নির্দিষ্ট অংশীদারের মোট প্রাপ্য অংশ ১-এর বেশি হয়ে যায়, তখন আনুপাতিক হারে সবার অংশ কমিয়ে আনা হয়।
রাদ নীতি বলতে বোঝায় যখন কোনো অবশিষ্টভোগী না থাকে এবং বাকি সম্পত্তি স্বামী বা স্ত্রী ব্যতীত অন্যান্য নির্দিষ্ট অংশীদারদের মধ্যে তাদের অংশের অনুপাতে বণ্টন করা হয়।
উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটর ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা
এই উত্তরাধিকার ক্যালকুলেটর মুসলিম ফারায়েজ অনুযায়ী সাধারণ পরিস্থিতিতে সম্পত্তির সম্ভাব্য বণ্টন সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দেওয়ার জন্য তৈরি। তবে সব ধরনের আত্মীয়ের সম্পর্ক, একাধিক উত্তরাধিকারী, বিশেষ পরিস্থিতি এবং জটিল উত্তরাধিকার বিধান এর মধ্যে সম্পূর্ণভাবে অন্তর্ভুক্ত নাও থাকতে পারে।
বিশেষ করে, কোনো শ্রেণিতে একাধিক পুত্র, কন্যা বা অন্য উত্তরাধিকারী থাকলে প্রত্যেকের সংখ্যা ও সম্পর্ক সঠিকভাবে বিবেচনা করা জরুরি। ক্যালকুলেটর যদি এসব তথ্য আলাদাভাবে গ্রহণ না করে, তাহলে সেই পরিস্থিতিতে ফলাফলকে সম্পূর্ণ বা চূড়ান্ত বণ্টন হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
চূড়ান্ত বণ্টনের আগে একজন যোগ্য উত্তরাধিকার আইনজীবী বা ফারায়েজ বিষয়ে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
সতর্কতা: এই ক্যালকুলেটরের ফলাফল সাধারণ হিসাবের সহায়ক মাত্র। এটি চূড়ান্ত আইনি সিদ্ধান্ত, সম্পত্তির মালিকানা নির্ধারণ বা বিরোধ নিষ্পত্তির বিকল্প নয়। প্রকৃত উত্তরাধিকার বণ্টনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন, শরিয়াহর বিধান এবং সংশ্লিষ্ট পারিবারিক পরিস্থিতি যাচাই করা জরুরি।

Mostafizur Rahman is a Bangladesh-based content writer and founder of Porikrama. He writes practical, reader-focused content on education, jobs, citizen services, travel, agriculture, technology and general lifestyle information. He focuses on accuracy, clarity, and creating useful content for Bangladeshi readers.

Pingback: জমির খাজনা ক্যালকুলেটর বা ভূমি উন্নয়ন কর ক্যালকুলেটর
Pingback: জমির নামজারি নিয়ে সরকারের জরুরি নির্দেশনা: জমি-মালিকদের জন্য করণীয় - পরিক্রমা ডটকম