Mostafizur Rahman is a Bangladesh-based content writer and founder of Porikrama. He writes practical, reader-focused content on education, jobs, citizen services, travel, agriculture, technology and general lifestyle information. He focuses on accuracy, clarity, and creating useful content for Bangladeshi readers.
প্রযুক্তির এই যুগে যোগাযোগ মাধ্যমকে সহজতর করতে মোবাইল ফোন এবং সিম কার্ড অপরিহার্য একটি উপাদান। বাংলাদেশে কি কি সিম আছে তা নিয়ে অনেকেরই কৌতূহল রয়েছে।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে সক্রিয় মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর বা সিম কোম্পানির সংখ্যা মোট চারটি।
এর মধ্যে তিনটি বেসরকারি এবং একটি সম্পূর্ণ সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর যোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে এই কোম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
এই নিবন্ধে বাংলাদেশের সচল মোবাইল সিম কোম্পানিগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।
এক নজরে বাংলাদেশের সিম কোম্পানিগুলোর তালিকা
নিচের টেবিলে বাংলাদেশের সচল সিম কোম্পানিগুলোর মূল তথ্যগুলো একসাথে উপস্থাপন করা হলো:
| কোম্পানির নাম | মূল মালিকানা / দেশ | প্রতিষ্ঠার সাল | বাংলাদেশের সকল সিমের কোড নাম্বার (Prefix) |
| গ্রামীণফোন (GP) | নরওয়ে (টেলিনর) ও বাংলাদেশ | ১৯৯৭ | ০১৭, ০১৩ |
| রবি (Robi) | মালয়েশিয়া ও ভারত | ১৯৯৭ | ০১৮ |
| সার্কেল (Cirkle) | রবি আজিয়াটা পিএলসি (মালয়েশিয়া ও ভারত) | ২০২৬ (ব্র্যান্ড রূপান্তর) | ০১৬ |
| বাংলালিংক (Banglalink) | নেদারল্যান্ডস (ভিওন) | ২০০৫ | ০১৯, ০১৪ |
| টেলিটক (Teletalk) | বাংলাদেশ সরকার (রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন) | ২০০৪ | ০১৫ |
বর্তমান সচল মোবাইল সিম কোম্পানির তালিকা ও সংক্ষিপ্ত বিবরণ
বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ বাজারে বর্তমানে যে চারটি মোবাইল অপারেটর সেবা প্রদান করছে, তাদের কার্যক্রম, নেটওয়ার্ক এবং সেবা মান বেশ ভিন্ন।
নিচে এই কোম্পানিগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
গ্রামীণফোন লিমিটেড (GP)

গ্রামীণফোন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর। ১৯৯৭ সালে বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটির মূল মালিকানা নরওয়েভিত্তিক টেলিনর গ্রুপ এবং বাংলাদেশের গ্রামীণ টেলিকমের হাতে।
- নেটওয়ার্ক কভারেজ: দেশের শহর থেকে শুরু করে দুর্গম গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত জিপি-র শক্তিশালী নেটওয়ার্ক বিদ্যমান।
- সিম কোড: গ্রামীণফোনের সিমের প্রিফিক্স বা শুরুর কোড হলো ০১৭ এবং ০১৩।
- বিশেষ সেবা: উন্নত ফোরজি (4G) ইন্টারনেট স্পিড এবং বিভিন্ন আকর্ষণীয় ডাটা ও ভয়েস বান্ডেল অফারের জন্য এটি পরিচিত। এছাড়া এদের ‘স্কিটো’ নামের একটি ডিজিটাল সাব-ব্র্যান্ড তরুণ প্রজন্মের কাছে বেশ জনপ্রিয়।
রবি আজিয়াটা পিএলসি (Robi)

রবি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল অপারেটর। এটি মূলত মালয়েশিয়াভিত্তিক আজিয়াটা গ্রুপ এবং ভারতের ভারতী এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হয়।
- নেটওয়ার্ক কভারেজ: দেশজুড়ে রবির রয়েছে বিস্তৃত ফোরজি ও ফাইভজি সহায়ক নেটওয়ার্ক।
- সিম কোড: রবির সচরাচর ব্যবহৃত কোড হলো ০১৮।
- বিশেষ সেবা: সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট প্যাক এবং উন্নত ভয়েস কল সার্ভিসের জন্য রবি গ্রাহকদের কাছে সমাদৃত।
সার্কেল (Cirkle)

সার্কেল হলো বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ বাজারে যুক্ত হওয়া একটি নতুন ডিজিটাল ব্র্যান্ড। রবি আজিয়াটা পিএলসি তাদের পূর্বের এয়ারটেল ব্র্যান্ডটিকে রূপান্তর করে নতুন পরিচয়ে ‘সার্কেল’ (Cirkle) নামে বাজারে নিয়ে এসেছে। তরুণ প্রজন্মের ডিজিটাল জীবনযাত্রা এবং আধুনিক প্রযুক্তির চাহিদাকে মাথায় রেখে এটি পরিচালিত হচ্ছে।
- নেটওয়ার্ক কভারেজ: রবির শক্তিশালী নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ব্যবহার করেই এটি দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদান করে।
- সিম কোড: আগের মতো এর সিমের প্রিফিক্স বা শুরুর কোড হলো ০১৬।
- বিশেষ সেবা: আধুনিক ডিজিটাল সেবা, সাশ্রয়ী ইন্টারনেট প্যাক এবং আকর্ষণীয় অ্যাপভিত্তিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে থাকে।
বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড (Banglalink)

বাংলালিংক বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও গতিশীল একটি মোবাইল অপারেটর। নেদারল্যান্ডস-ভিত্তিক বহুজাতিক টেলিকম প্রতিষ্ঠান ‘ভিওন লিমিটেড’ (VEON Ltd.) এর সম্পূর্ণ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান হলো এই বাংলালিংক। ২০০৫ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেই এরা তরুণ ও সাধারণ মানুষের মাঝে দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- নেটওয়ার্ক কভারেজ: দেশের প্রায় সব অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন ভয়েস কল ও ইন্টারনেট সেবা দিয়ে আসছে।
- সিম কোড: বাংলালিংকের সিমের কোড সাধারণত ০১৯ এবং ০১৪ দিয়ে শুরু হয়।
- বিশেষ সেবা: ডিজিটাল বিনোদনমূলক অ্যাপ (যেমন- টফি) এবং সাশ্রয়ী ইন্টারনেট অফারের কারণে এর গ্রাহক সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।
টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড (Teletalk)

টেলিটক বাংলাদেশের একমাত্র এবং সম্পূর্ণ দেশীয় সরকারি মালিকানাধীন মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০০৪ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি তার কার্যক্রম শুরু করে। দেশের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে এবং সরকারি সেবায় টেলিটক অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকে।
- নেটওয়ার্ক কভারেজ: রাজধানী থেকে শুরু করে মফস্বল ও প্রত্যন্ত অঞ্চলেও এর টাওয়ার রয়েছে।
- সিম কোড: টেলিটকের নির্ধারিত প্রিফিক্স হলো ০১৫।
- বিশেষ সেবা: শিক্ষাখাতে এর অবদান সবচেয়ে বেশি। বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল প্রকাশ, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি আবেদন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কম মূল্যের ইন্টারনেট প্যাকেজ প্রদান করে থাকে।
টেলিটক কি কি সিম আছে?
সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক (Teletalk) এর অধীনে বর্তমানে বিভিন্ন বিশেষ ক্যাটাগরির ও সাধারণ প্রিপ্রেইড ও পোস্টপেইড সিম কার্ড চালু রয়েছে। টেলিটকের মূল সিমের পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষার্থী, পেশাজীবী ও বিশেষ প্রকল্পের জন্য আলাদা নামে বেশ কিছু সেবা বা প্যাকেজ রয়েছে।
নিচে টেলিটকের প্রধান সিম ও অফারভিত্তিক ক্যাটাগরিগুলো দেওয়া হলো:
- সাধারণ প্রিপ্রেইড সিম: এটি সাধারণ গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত, যার নম্বর সাধারণত ০১৫ প্রিফিক্স দিয়ে শুরু হয়।
- আগামী (Agamii): এটি বিশেষভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি একটি জনপ্রিয় সিম বা অফার প্যাকেজ, যাতে পড়াশোনা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য বিশেষ সুবিধা থাকে।
- দোলনচাঁপা: এটি নারীদের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা একটি টেলিটক সিম বা প্যাকেজ, যেখানে নারী গ্রাহকদের জন্য বিশেষ কলরেট ও সুবিধা দেওয়া হয়।
- ফ্রেন্ডস (Friends): তরুণ ও যুব সমাজের কথা মাথায় রেখে কম খরচে কথা বলা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধার জন্য এই প্যাকেজটি আনা হয়েছিল।
- বাপার্ড (BAPARD) ও অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক সিম: বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা নির্দিষ্ট সংস্থার সাথে চুক্তির অধীনেও টেলিটক বিশেষ সিম বা কর্পোরেট কানেকশন প্রদান করে থাকে।
বাংলাদেশে অতীতে যেসকল সিম কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেছে
বর্তমানে সচল অপারেটরগুলো ছাড়াও অতীতে বাংলাদেশে আরও কিছু মোবাইল সিম কোম্পানি সেবা পরিচালনা করেছিল, যা পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে বন্ধ বা একীভূত হয়ে গেছে:
- সিটিসেল (Citycell): প্যাসিফিক টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড পরিচালিত এটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল অপারেটর (সিডিএমএ প্রযুক্তি ভিত্তিক)। আর্থিক ও অন্যান্য জটিলতার কারণে ২০১৬ সালে এর কার্যক্রম আইনগতভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
- ওয়ারিদ টেলিকম (Warid Telecom): ২০০৭ সালে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীতে ২০১০ সালে এর பெரும்பংশ শেয়ার ভারতের ভারতী এয়ারটেলের কাছে বিক্রি হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে এটি এয়ারটেল নামে আত্মপ্রকাশ করে। দীর্ঘ সময় পর সেই এয়ারটেল ব্র্যান্ডটিই সম্প্রতি ‘সার্কেল’ নামে নতুন রূপ লাভ করেছে।
সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর (FAQs)
বর্তমানে বাংলাদেশে কয়টি সচল মোবাইল সিম কোম্পানি আছে?
বর্তমানে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে বিটিআরসি অনুমোদিত মোট ৪টি প্রধান মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর (গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক এবং টেলিটক) সচল রয়েছে, যার মধ্যে রবির অধীনে সাব-ব্র্যান্ড হিসেবে ‘সার্কেল’ পরিচালিত হচ্ছে।
নেটের জন্য কোন সিম ভালো?
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দ্রুতগতির ও বিস্তৃত ইন্টারনেট কভারেজের জন্য গ্রামীণফোন (GP) সিম সবচেয়ে ভালো বলে বিবেচনা করা হয়।
মূলত নেটের জন্য কোন সিম ভালো তা আপনার এলাকার নেটওয়ার্ক কভারেজ ও ইন্টারনেট স্পিডের ওপর নির্ভর করে, তাই গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক বা টেলিটকের মধ্যে স্থানীয়ভাবে যেটির নেটওয়ার্ক ভালো সেটিই বেছে নেওয়া ভালো।
কোন সিমে ইন্টারনেটের দাম কম?
সাধারণত কম খরচে ইন্টারনেট বা সাশ্রয়ী ডাটা প্যাকের দিক থেকে টেলিটক (Teletalk) এবং রবি-সার্কেল (Robi-Cirkle) অপারেটরগুলোর ইন্টারনেট প্যাকের দাম তুলনামূলক কম হয়ে থাকে।
নতুন ‘সার্কেল’ সিম কোন কোম্পানির ব্র্যান্ড?
সার্কেল হলো রবি আজিয়াটা পিএলসির একটি ডিজিটাল সাব-ব্র্যান্ড, যা মূলত পূর্বের এয়ারটেল ব্র্যান্ডের নতুন রূপ। এর পূর্বের ০১৬ কোডের সিম এবং সেবাগুলো এতে বহাল রয়েছে।
বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি সিম কোনটি?
টেলিটক (Teletalk) হলো বাংলাদেশের একমাত্র শতভাগ সরকারি ও দেশীয় মালিকানাধীন মোবাইল সিম অপারেটর।
গ্রামীণফোন সিমের কোড কী কী?
গ্রামীণফোনের নম্বর সাধারণত ০১৭ এবং ০১৩ দিয়ে শুরু হয়।
বাংলাদেশের একটি ভালো সিম কোম্পানির নাম কি?
বাংলাদেশের অন্যতম সেরা ও জনপ্রিয় একটি সিম কোম্পানি হলো গ্রামীণফোন (GP), যা দেশের সবচেয়ে বড় নেটওয়ার্ক কভারেজ ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে থাকে।
বাংলাদেশের প্রথম সিম কার্ড কোনটি?
- বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল অপারেটর বা সিম সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হলো সিটিসেল (Citycell)। প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড পরিচালিত এই অপারেটরটি ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি সিডিএমএ (CDMA) প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের প্রথম মোবাইল কানেকশন বা সিম চালু করেছিল। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে বিভিন্ন জটিলতার কারণে এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
- আর যদি আধুনিক জিএসএম (GSM) প্রযুক্তির প্রথম সিমের কথা ধরা হয়, তবে ১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু করা গ্রামীণফোন (GP) হলো বাংলাদেশের প্রথম জিএসএম সিম কার্ড।
বাংলাদেশে কোন সিমের গ্রাহক বেশি?
বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি গ্রাহক রয়েছে গ্রামীণফোন (Grameenphone/GP) সিমের। বিটিআরসি (BTRC)-এর তথ্য অনুযায়ী, গ্রাহক সংখ্যার দিক থেকে দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল অপারেটর এটি।
সিটিসেল সিম কবে চালু হবে?
সিটিসেল কবে আবার চালু হবে এর নির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঘোষণা হয়নি। ২০২৫ সালের নভেম্বরে সিটিসেলের ফিরে আসা নিয়ে গুজব ছড়ালেও তখনও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায়, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে যোগাযোগ রক্ষা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য মোবাইল সিম অপরিহার্য। বাংলাদেশে কি কি সিম আছে তা জানার পাশাপাশি প্রতিটি অপারেটরের সেবার মান, নেটওয়ার্ক কভারেজ ও অফার বিবেচনা করে ব্যবহারকারীরা তাদের পছন্দমতো সিম বেছে নেন।
গ্রামীণফোন, রবি, সার্কেল, বাংলালিংক ও টেলিটক- এই অপারেটরগুলো প্রতিনিয়ত আধুনিক ফোরজি ও আসন্ন ফাইভজি প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে দেশের টেলিকম খাতকে আরও সমৃদ্ধ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

Mostafizur Rahman is a Bangladesh-based content writer and founder of Porikrama. He writes practical, reader-focused content on education, jobs, citizen services, travel, agriculture, technology and general lifestyle information. He focuses on accuracy, clarity, and creating useful content for Bangladeshi readers.
